বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
Headline :
সন্ত্রাসীদের হামলায় ২৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে না ফেরার দেশে আজিবর কালিয়াকৈরে সিএনজি স্টেশনে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ লাইন তীব্র গ্যাসের সংকটে চালকদের জনজীবন বিপর্যস্ত *সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন-নিপীড়ন- ‘বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরাম’-এর হুঁশিয়ারি* *আইন-প্রশাসন ও সরকারের প্রতি অনুরোধ, অন্যথায় রাজপথে কঠোর আন্দোলনের ডাক* Hacked by CoupDeGrace গফরগাঁওযের দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষক মনজুরুল ইসলাম শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠান কালীগঞ্জে সরকারি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি কালীগঞ্জে জমকালো আয়োজনে সেন্ট মেরী’স গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন ভবনের উদ্বোধন । কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহযোগিতায় ফ্রি চোখের ছানি পরীক্ষা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে ময়মনসিংহে মতবিনিময় সভা

পঞ্চগড়ে OMS ও ত্রাণের চাল বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ

Update : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদন :
পঞ্চগড়ে সরকারি খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রির (OMS) কার্যক্রমে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। চালান বা ডিও ছাড়াই গুদাম থেকে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত চাল সরিয়ে নেওয়া, নির্ধারিত সংখ্যার অতিরিক্ত ডিলার নিয়োগ এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই দোকান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

সোমবার পঞ্চগড় জেলা খাদ্য গুদামের সামনে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত চাল কোনো বৈধ চালান বা ডিও ছাড়াই ভ্যান ও পিকআপে করে গুদাম থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ সময় একটি পিকআপে প্রায় ৭০ বস্তা এবং একটি ভ্যানে প্রায় ৩০ বস্তা চাল নেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়।

চাল সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুদাম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পঞ্চগড়ে OMS ডিলারের সংখ্যা ৫ জন থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে ৯ জন ডিলারের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রত্যেক ডিলারকে ৫০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের দোকানের ব্যানারেও সরকারি নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। ব্যানারে ৫ কেজি চাল ও ৩ কেজি আটা বিক্রির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার কথা থাকলেও অনেক ডিলার দুপুর ১২টার মধ্যেই ‘চাল শেষ’ বলে দোকান বন্ধ করে দিচ্ছেন। এতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও চাল না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।

একাধিক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, তারা সকাল ১০টার দিকে এসে লাইনে দাঁড়ালেও দুপুর ১২টার আগেই তাদের জানানো হয় চাল শেষ হয়ে গেছে। তবে তাদের দাবি, গুদাম বা দোকানের ভেতরে চাল থাকার পরও তাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে না।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সরকারি খাদ্যশস্য বিতরণ কার্যক্রমে এসব অনিয়মের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


More News Of This Category