নীলফামারীতে গৃহবধূ পিথী হত্যা মামলা: দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর শ্বশুর গ্রেফতার
আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার।
০১৭১৭৭৭৬৯৭২
, ২৮ জুন, ২০২৬
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে গৃহবধূ পিথী বেগম (৩০) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি ও নিহতের শ্বশুর খায়রুল ইসলাম (৬০)-কে গ্রেফতার করেছে ডোমার থানা পুলিশ।
শুক্রবার (২৬ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত খায়রুল ইসলাম ডাঙ্গাপাড়া সাহার মোড় এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানার হরমুজ আলী ফকিরের মেয়ে পিথী বেগমের সঙ্গে ডোমার উপজেলার বাসিন্দা ফারুক হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ১০ মাস বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই পিথী বেগমকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন। গত বছরের ২২ মে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পারিবারিক বিরোধের জেরে তাঁর ওপর আবারও নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে পিথীর স্বামী ফারুক হোসেন ধারালো ছুরি দিয়ে তাঁর পেটে গুরুতর আঘাত করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় পিথীকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই দিন পর, ২৫ মে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহত পিথী বেগমের বড় বোন রমিছা বেগম বাদী হয়ে ডোমার থানায় স্বামী ফারুক হোসেন, শ্বশুর খায়রুল ইসলাম ও শাশুড়িসহ সংশ্লিষ্টদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই শ্বশুর খায়রুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।
ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামি খায়রুল ইসলামকে সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশ মোতাবেক তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
ওসি আরও জানান, এই নৃশংস হত্যা মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
01884-553490
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.