ধর্মপাশায় সরকারি কাজে বাধা ও থানা পুলিশকে মারধরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গেফতার রবি মিয়া,,, মোঃ আরিফুল ইসলাম সিনিয়র সাংবাদিক দৈনিক বাংলার সংবাদ স্টাফ রিপোটার,,, গ্রামের বাসিন্দা ও দৈনিক গণকন্ঠ পত্রিকার ধর্মপাশা উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক রবি মিয়া (৩০) কে শনিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার জিংলীগড়া গ্রামের সামনে সড়ক থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি কাজে বাধাদান ও পুলিশকে মারধর করার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ৩১মে দুপুরে এই ঘটনা ঘটে।
ধর্মপাশা থানায় মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারে চলতি বছরের ৩১মে বেলা ১২টার দিকে একটি দোকান দখল বেখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এক পক্ষের লোকজনকে অপর পক্ষের লোকজন আটক করে মারধর করছে। এমন খবর পেয়ে ওইদিন বেলা পৌনে একটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনাস্থলের পাশে অন্য একটি দোকানের শার্টারের ভেতর নিরাপদ হেফাজতে রাখা অপরপক্ষ কর্তৃক আটককৃত চারজনকে দোকান থেকে বের করে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে থানার উদ্দেশ্যে আসার সময় হঠাৎ করে প্রতিপক্ষের পক্ষ এজাহার নামীয় ২৪জন আসামিগণসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৪০জন আসামি বেআইনি জনতায় দলবদ্ধ হয়ে পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধাদান এবং আটককৃত চারজনকে ছিনাইয়া নেওয়ার চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে পুলিশের ওপর তারা আক্রমণ করে। পুলিশের ওপর আক্রমণে পুলিশের কনস্টেবল গাজীউল হুদা শামীম, মো.শেখ সেলিম ও বিপ্লব চন্দ্র আহত হন। পরে আটক চারজন ও আহত তিনজন কনস্টেবলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ১জুন রাতে ২৪জন জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৩০থেকে ৪০জন কে আসামি করে থানার এসআই মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা করেন।
গ্রেফতারের পর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারে সাংবাদিক রবি মিয়া সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, তিনি ওইদিন খবর সংগ্রহ করার সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন। সরকারি কাজে বাধাদান ও পুলিশকে মারধরের ঘটনায় তিনি জড়িত নন। একটি কুচক্রী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যেভাবে এই মামলায় জড়িয়ে দিয়েছে।
সরকারি কাজে বাধাদান ও পুলিশকে মারধর করার মামলায় ধর্মপাশা থানার তিনজন কনস্টেবল আহত হন। এদের মধ্যে আহত পুলিশ সদস্য (কনস্টেবল) বিপ্লব চন্দ্রের সঙ্গে সাংবাদিক রবি মিয়া ও আরও দুই তিনজনের ৩৪সেকেণ্ডের একটি কথোপকতনের ভিডিওতে দেখা গেছে, আহত ওই পুলিশ সদস্য বলছেন, মারার আগে তো হেইলা আমারে (সাংবাদিক রবি মিয়া) হেল্প করছে, বুজছেন না কি কইলাম, হেইলা তো আমারে চিনে। হেইলা আমার সামনে দিয়াই গেছে। আমার লগে দাঁড়াইয়াও আছিল। প্রথম সাহায্য করছে, পরে এইলারে আমরা দেহি নাই যেইটা বাস্তব,আমরা পুলিশের মধ্যে কেউ দেহে নাই। এ সময় প্রতিহিংসা শব্দটি উচ্চারিত হতে শোনা যায়।
তবে আহত ওই পুলিশ সদস্যের কাছে এ নিয়ে শরিবার বিকালে বক্তব্য চানতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ধর্মপাশা থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম বলেন, পুলিশ এসল্ট মামলার এজাহারভূক্ত আসামি রবি মিয়াক শনিবার সকাল ১১টার দিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওইদিন দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
01884-553490
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.