দেশে কেন তীব্র লোডশেডিং হচ্ছে? কারেন্ট না থাকার কারণ কি? এর পেছনের কারণগুলো বিস্তারিত জানা দরকার।
★ ২১ জুলাই বাংলাদেশের একমাত্র ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল মহেশখালীতে রহস্যজনকভাবে আগুন লেগে যায়। এর পরেই মুলত দেশে তীব্র গ্যাস সংকট সৃষ্টি হয়।
বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম বিদ্যুৎকেন্দ্র তেল গ্যাস কয়লাভিত্তিক।
> এই টার্মিনালে আগুন লাগার পর গ্যাসের সাপ্লাই প্রায় ৬০ কোটি ঘনফুট কমে যায়।
> বর্তমানে এটা আংশিক মেরামত করে ফেলা হয়েছে এই কয়দিনেই। যার, ফলে ২৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ ব্যাক করা গেছে।
এই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি মেরামত করতে একটু টাইম তো দিতেই হবে। তাও মাত্র ১ মাসেরও কম সময়ে ২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সাপ্লাই দেয়া শুরু হয়ে গেছে।
> এই টার্মিনাল সম্পুর্ন মেরামতের পর প্রায় আরও ৩০-৪০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সাপ্লাই যুক্ত হবে।
★ বাংলাদেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্যাপাসিটি প্রায় ৮, ০০০ মেগাওয়াট। কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৫,৫০০ মেগাওয়াট।
কারণ কি? কারণ কয়লার সাপ্লাই। সুপার এল নিনো চলায় বঙ্গোপসাগরের ওপর মৌসুমি বায়ুর প্রভাব ব্যাপক।
> এক পটুয়াখালী তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রই ১,২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন কমে অর্ধেকে নেমেছে সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়লা খালাসে বিলম্ব হওয়ার কারণে।
> বন্যার কারণে কয়লা ভিজে যাওয়ায় ৪০০-৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে।
রামপাল ও বড়পুকুরিয়ায় উৎপাদন কমেছে।
> বড়পুকুরিয়ার ৩টি ইউনিটের মধ্যে ২টি কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ।
★ আদানি পাওয়ার এর চাপ এবং ৫৫,০০০ হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় হাসিনার আমলের বেসরকারি সকল কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।
> স্পেশালি ভারতের কুটনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ থাকায় ভারত থেকে আমদানিকৃত বিদ্যুৎ অনেকাংশই আর দেশে আসছেনা।
> ভুটান থেকে হাইড্রো পাওয়ার আমদানিতেও নানা ধরনের ছক কষছে ভারত।
এখন �
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
01884-553490
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.