টানা বর্ষণে পানির নিচে মহিষতুলির কাঠের সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ; স্থায়ী আরসিসি সেতুর জোর দাবি
প্রদীপ কুমার রায় লালমনিরহাট:
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের মহিষতুলি ঝাড়ীর ঝাড় এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর খেয়াঘাটে নির্মিত কাঠের সেতুটি টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষের স্বাভাবিক চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, পরীক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও কর্মজীবী মানুষ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহিষতুলি, ঝাড়ীর ঝাড়সহ আশপাশের গ্রামের মানুষের জন্য এই সেতুই ছিল প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই পথ ব্যবহার করে যাতায়াত করেন। কিন্তু টানা বর্ষণে নদী ও খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সেতুটি ডুবে যাওয়ায় তাদের দীর্ঘ বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ—উভয় ক্ষেত্রেই বাড়তি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী।
বর্তমানে চলমান পরীক্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। অনেক পরীক্ষার্থী সময়মতো পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছে। সন্তানদের নিরাপদ যাতায়াত নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাও। অনেকে বাধ্য হয়ে ছোট নৌকা বা ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে পারাপার হচ্ছেন, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটে। পানি বাড়লেই কাঠের সেতুটি তলিয়ে যায় এবং কয়েক মাস ধরে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে এখানে একটি স্থায়ী আরসিসি সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
কৃষকদের ভাষ্য, সেতু ডুবে যাওয়ায় কৃষিপণ্য সময়মতো বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। পাশাপাশি জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্কদের যাতায়াতও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের মতে, এখানে একটি স্থায়ী আরসিসি সেতু নির্মাণ করা হলে শুধু বর্তমান দুর্ভোগই দূর হবে না; শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থারও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।
এলাকাবাসীর জোর দাবি, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অস্থায়ী পারাপারের ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি একটি স্থায়ী আরসিসি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। তাদের বিশ্বাস, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এবং হাজারো মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।
বর্ষণে পানির নিচে মহিষতুলির কাঠের সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ; স্থায়ী আরসিসি সেতুর জোর দাবি
প্রদীপ কুমার রায় লালমনিরহাট:
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের মহিষতুলি ঝাড়ীর ঝাড় এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর খেয়াঘাটে নির্মিত কাঠের সেতুটি টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষের স্বাভাবিক চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, পরীক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও কর্মজীবী মানুষ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহিষতুলি, ঝাড়ীর ঝাড়সহ আশপাশের গ্রামের মানুষের জন্য এই সেতুই ছিল প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই পথ ব্যবহার করে যাতায়াত করেন। কিন্তু টানা বর্ষণে নদী ও খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সেতুটি ডুবে যাওয়ায় তাদের দীর্ঘ বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ—উভয় ক্ষেত্রেই বাড়তি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী।
বর্তমানে চলমান পরীক্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। অনেক পরীক্ষার্থী সময়মতো পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছে। সন্তানদের নিরাপদ যাতায়াত নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাও। অনেকে বাধ্য হয়ে ছোট নৌকা বা ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে পারাপার হচ্ছেন, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটে। পানি বাড়লেই কাঠের সেতুটি তলিয়ে যায় এবং কয়েক মাস ধরে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে এখানে একটি স্থায়ী আরসিসি সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
কৃষকদের ভাষ্য, সেতু ডুবে যাওয়ায় কৃষিপণ্য সময়মতো বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। পাশাপাশি জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্কদের যাতায়াতও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের মতে, এখানে একটি স্থায়ী আরসিসি সেতু নির্মাণ করা হলে শুধু বর্তমান দুর্ভোগই দূর হবে না; শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থারও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।
এলাকাবাসীর জোর দাবি, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অস্থায়ী পারাপারের ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি একটি স্থায়ী আরসিসি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। তাদের বিশ্বাস, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এবং হাজারো মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
01884-553490
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.