মোঃ আজিজুল ইসলাম হৃদয়
হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
রাজধানীর মতিঝিলে রুমমেট মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহকে খুনের পর সাত টুকরো করে কালো পলিথিনে ভরেন শাহীন আলম। এরপর রাত ১২টা থেকে পরদিন সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে ঢাকার পাঁচ জায়গায় মরদেহের খন্ডিত অংশ ফেলে আসেন। রুমমেটকে হত্যা করে স্বাভাবিক ছিলেন হোটেল কর্মচারী শাহীন।
রোববার রাজধানীর মিন্টোরোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলেন এ তথ্য জানান পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন-অর-রশীদ।
গতকাল শনিবার পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার হুসাইন মুহাম্মদ ফারাবী সমকালকে জানান, শুক্রবার রাত ২টার দিকে প্রথমে নয়াপল্টনে স্কাউট ভবনের সামনের রাস্তায় কালো পলিথিনে একটি কাঁটা পা পাওয়া যায়। এরপর শরীরের অন্য অংশগুলোর খোঁজ চালানো হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় গুলিস্তান স্টেডিয়ামের ১৩ নম্বর গেটের কাছে দুইটি কাটা হাত উদ্ধার করা হয়। এরপর দুপুর আড়াইটার দিকে কমলাপুর স্টেশনের প্লাটফর্মে আরও একটি পা পাওয়া যায়। পরে আঙুলের ছাপ থেকে তার পরিচয় শনাক্ত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপ-কমিশনার হারুন-অর-রশীদ জানান, নিহত ব্যক্তির নাম ওবায়দুল্লাহ। একটি হোমিও ক্লিনিকে মার্কেটিং বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি নরসিংদীর শিবপুরে। তার সূত্র ধরে দুপুরে অভিযান চালিয়ে শাহীনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, তিন মাস আগে হবিগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে প্রথমে গুলিস্তানের একটি হোটেলে কাজ নেন। সেখানে ২০ দিন কাজ করার পর বেতন কম হওয়ায় চাকরিটি ছেড়ে দেন। এরপর বাল্যবন্ধু মারুফের কমলাপুরের বাসায় ওঠেন। মারুফ হবিগঞ্জে চলে গেলে শাহীন দুই মাস ধরে ওবায়দুল্লাহর সঙ্গে কবি জসীম উদ্দীন রোডের একটি বাড়ির ৬ তলায় থাকা শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি মতিঝিলের হীরাঝিল হোটেলে কাজ নেন।
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহকারী সম্পাদক : মোঃ ছাব্বির হোসেন
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
নির্বাহী সম্পাদক : মেছবাহ উদ্দিন (01884-553490, 01911-206989)
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.