প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ১৭, ২০২৬, ৬:২৫ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ৫, ২০২৬, ৮:৩২ পি.এম
খুলনার আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের মাস্টারমাইন্ড রফিক-কে আটক(মোঃ সোহেল রানা, ক্রাইম রিপোর্টার, বাংলার) খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙা থানার আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান পলাতক আসামি মো. রফিকুল ইসলাম হাওলাদার ওরফে রফিককে অবশেষে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব। বৃহস্পতিবার রাতে বরিশাল জেলার কোতোয়ালি থানার কাশিপুর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।উল্লেখ্য “খুলনার সোনাডাঙা এলাকায় সংঘটিত শ্বাশুড়ি ও দুই সন্তান হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলাটি দায়ের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। মামলার এজাহারে ১ নম্বর অভিযুক্ত করা হয় খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানার বাসিন্দা ৩৮ বছর বয়সী মো. রফিকুল ইসলাম হাওলাদারকে। ঘটনার পর থেকেই তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে পলাতক জীবনযাপন করছিলেন।র্যাব-৬ সদর কোম্পানি ও র্যাব-৮ এর গোয়েন্দা শাখা দীর্ঘদিন ধরে এই মামলার তদন্ত ও আসামি ধরতে কাজ করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, রফিক বরিশালের কাশিপুর এলাকায় নতুন পরিচয়ে অবস্থান করছেন।তথ্যের সত্যতা যাচাই করে বৃহস্পতিবার ৪ জুন-রাতে র্যাব-৬ ও র্যাব-৮ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল কাশিপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে রফিকুল ইসলাম হাওলাদারকে আটক করা হয়। র্যাব সূত্র জানায়, গ্রেফতারের পর রফিকুল ইসলাম হাওলাদারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে খুলনার সোনাডাঙা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।সোনাডাঙা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আসামিকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।র্যাব-৬ এর এক কর্মকর্তা বলেন, “বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর হত্যা, ধর্ষণ, সন্ত্রাস ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত আসামিদের গ্রেফতার এবং আইনের আওতায় আনতে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সোনাডাঙার এই আলোচিত মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার তারই অংশ।সোনাডাঙা এলাকার বাসিন্দারা প্রধান আসামির গ্রেফতারের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।অন্যদিকে আইনজীবীরা বলছেন, ট্রিপল মার্ডারের মতো স্পর্শকাতর মামলায় আসামিকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডে নেওয়া হবে। রিমান্ডে আসামির কাছ থেকে মামলার বিস্তারিত তথ্য ও অন্য সহযোগীদের বিষয়ে জানার চেষ্টা করবে তদন্ত সংস্থা। পরে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার প্রক্রিয়া এগোবে।আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি আইনের চোখে নির্দোষ। মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।
সংবাদ খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙা থানার আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান পলাতক আসামি মো. রফিকুল ইসলাম হাওলাদার ওরফে রফিককে অবশেষে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব। বৃহস্পতিবার রাতে বরিশাল জেলার কোতোয়ালি থানার কাশিপুর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।উল্লেখ্য “খুলনার সোনাডাঙা এলাকায় সংঘটিত শ্বাশুড়ি ও দুই সন্তান হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলাটি দায়ের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। মামলার এজাহারে ১ নম্বর অভিযুক্ত করা হয় খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানার বাসিন্দা ৩৮ বছর বয়সী মো. রফিকুল ইসলাম হাওলাদারকে। ঘটনার পর থেকেই তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে পলাতক জীবনযাপন করছিলেন।র্যাব-৬ সদর কোম্পানি ও র্যাব-৮ এর গোয়েন্দা শাখা দীর্ঘদিন ধরে এই মামলার তদন্ত ও আসামি ধরতে কাজ করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, রফিক বরিশালের কাশিপুর এলাকায় নতুন পরিচয়ে অবস্থান করছেন।তথ্যের সত্যতা যাচাই করে বৃহস্পতিবার ৪ জুন-রাতে র্যাব-৬ ও র্যাব-৮ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল কাশিপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে রফিকুল ইসলাম হাওলাদারকে আটক করা হয়।
র্যাব সূত্র জানায়, গ্রেফতারের পর রফিকুল ইসলাম হাওলাদারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে খুলনার সোনাডাঙা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।সোনাডাঙা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আসামিকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।র্যাব-৬ এর এক কর্মকর্তা বলেন, “বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর হত্যা, ধর্ষণ, সন্ত্রাস ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত আসামিদের গ্রেফতার এবং আইনের আওতায় আনতে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সোনাডাঙার এই আলোচিত মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার তারই অংশ।সোনাডাঙা এলাকার বাসিন্দারা প্রধান আসামির গ্রেফতারের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।অন্যদিকে আইনজীবীরা বলছেন, ট্রিপল মার্ডারের মতো স্পর্শকাতর মামলায় আসামিকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডে নেওয়া হবে। রিমান্ডে আসামির কাছ থেকে মামলার বিস্তারিত তথ্য ও অন্য সহযোগীদের বিষয়ে জানার চেষ্টা করবে তদন্ত সংস্থা। পরে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার প্রক্রিয়া এগোবে।আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি আইনের চোখে নির্দোষ। মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
01884-553490
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.