ঢাকা প্রতিনিধি: ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার শাক্তা ইউনিয়নের আরশিনগরের ২ নম্বর গলিতে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী সাহাদাত হোসেন স্বপনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, চাঁদাবাজি, হুমকি এবং জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী হানিফ জানান, প্রায় এক বছর আগে সাহাদাত হোসেন স্বপন ওই এলাকায় বাড়ি নির্মাণের পর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। তার দাবি, স্বপন ইতোমধ্যে অন্তত পাঁচজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন।
হানিফের অভিযোগ, স্বপন তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। সেই অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন এবং তাকে মারধরেরও চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে তার জমি দখলের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তার বাড়ির পাশের প্রায় দেড় ফুট জায়গা স্বপন নিজের দাবি করে দখলের চেষ্টা করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, স্বপন নিজেকে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকায় বসবাস করতে হলে তার নির্দেশ মেনে চলতে হবে বলে হুমকি দেন। অন্যথায় যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
হানিফ আরও দাবি করেন, বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী যে পরিমাণ রাস্তা রাখার বিধান রয়েছে, তা মানা হয়নি। এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “সাংবাদিক জাতির বিবেক। একজন সাংবাদিকের আচরণ যদি এমন হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা চাই।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে তার স্ত্রী শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন এবং পুলিশ তাদের অভিযোগ গ্রহণ করেনি। পরবর্তীতে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান।
এদিকে, অভিযুক্ত সাহাদাত হোসেন স্বপনের বক্তব্য এই প্রতিবেদন প্রকাশের আগে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টির নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
01884-553490
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.