ইমা পরিবহনে কাছে জিম্মি পরিবহন যাত্রী ,
হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার দক্ষিণবঙ্গের শত শত যাত্রী দুর্দশা দেখার কেউ নেই
মোঃ ফিরোজ আহমেদ তালুকদার।
বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ
ইমা পরিবহনে কাছে জিম্মি পরিবহন যাত্রী ,
হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার দক্ষিণবঙ্গের শত শত যাত্রী দুর্দশা দেখার কেহ নেই
মোঃ ফিরোজ আহমেদ তালুকদার।
বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ
ইমা পরিবহনে ঢাকা, বাগেরহাট, ও
শরণখোলা রুটে প্রতিনিয়ত যাত্রী হয়রানির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ইমা পরিবহন স্টাফদের কাছে সাধারণ যাত্রীদের সময়ের যেন কোন মূল্যই নেই। পথে যাত্রীদের সাথেই প্রায়ই এ নিয়ে বাগবিতণ্ডা এ যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইমা পরিবহন গাড়ির স্টাফদের কাছে যাত্রী মূল্যহীন তাদের কাছে মালামাল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক ব্যবসা। গাড়ির ছাদ গাড়ির লকারে যাত্রীদের মালামালের চেয়ে অন্যান্য মালামালে পরিপূর্ণ থাকে। যাত্রীদেরকে বলা হয় আপনাদের মালামাল বাসের ভিতরে নিয়ে নিজ দায়িত্বে রাখেন। পথে পথে মালামাল নেয়ার জন্য অনেক সময় থেমে থাকে। একবার মাছ, একবার সুপারি, একবার নারিকেল—এভাবে বিভিন্ন মালামাল তুলতে গিয়ে দীর্ঘ সময় নষ্ট করে। এতে সাধারণ যাত্রীরা তিক্ত বিরক্ত বিরক্ত হয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। এবং গন্তব্যে পৌঁছাইতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। লোকাল গাড়ির মতো ঘাটে ঘাটে,বিভিন্ন স্টেশন ও বাজারে ১০ থেকে মিনিট করে গাড়ি দাঁড় করিয়ে যাত্রী ডাকতে থাকে। গাড়িতে পর্যাপ্ত যাত্রী থাকার পরও দাঁড়ানো অবস্থায় যাত্রী পরিবহন করে।এতে করে সাধারণ যাত্রীদের বিশেষ করে মহিলা যাত্রীরা সমস্যার সম্মুখীন হন। এভাবে পথে পথে সময় নষ্ট করে গাড়িতে থাকা নিরীহ যাত্রীদের গন্তব্যে যেতে দীর্ঘ সময় ও হয়রানির শিকার হতে হয়।
একই রুটে যে পথে অন্যান্য গাড়িতে সাধারণত ঢাকা যেতে ৪–৫ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা পৌঁছানো যায়, সেখানে ইমা পরিবহনে প্রায় ১১ ঘণ্টা সময় লেগেছে। দুপুর ২টার দিকে গাড়িতে উঠে রাত ১টা ৩০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছায়। যাত্রী সেবার মান অত্যন্ত নিম্নমানের সেই সাথে বাসস্টাব্দের আচরণ ও ব্যবহার অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা এই গাড়িকে পরিবহন গাড়ি নাম দিলেও প্রকৃতপক্ষে এটা মালগাড়িতে সর্বাধিক মালামাল পরিবহন করে থাকেন। এছাড়াও লোকাল যাত্রী নিয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় লং রোডে যাত্রীদের দুর্ভোগের ও ভোগান্তি সৃষ্টি করে। এভাবে গাড়িতে নিয়মিত লোকাল প্যাসেঞ্জার দিনে রাতে পথে-ঘাটে ওঠানামা করলে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ও ডাকাতির কবলে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে রাত্রিবেলায়।গাড়ির পরিবেশ ও শৃঙ্খলা ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ দেওয়ার পরেও তারা কোন কার্যকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না।
একজন যাত্রী টাকা দিয়ে টিকিট কাটে দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য, পথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাস দাঁড়িয়ে থাকার সাধারণ যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাইতে বিরমবো না ও ছিনতাই কাব্যকারী কবলে পড়তে হয়।
ইমা পরিবহনের কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করা হলেও কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। টিকিটে অভিযোগের নাম্বার দেওয়া থাকলেও অনেক সময় সেই নাম্বারে কেউ অভিযোগ জানালে ফোন বেজেই যাচ্ছে কেউ রিসিভ করে না। যাত্রীদের কাছ থেকে সঠিক ভাড়া নেওয়া সত্বেও যাত্রীসেবার মান অত্যন্ত হতাশা জনক।
তাই এ ব্যাপারে পরিবহন সেক্টর এর মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রী মহোদয় ও দক্ষিণ বঙ্গের পরিবহন নেতৃবৃন্দের কাছে ঢাকা গামী ইমা যাত্রীদের দুর্দশা লাগব আশু ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছেন ।
ঢাকাগামি যাত্রীদের ও বিভিন্ন জরুরী রোগীদের সময়ের মূল্যের গুরুত্ব অনুধাবন করে ইমা পরিবহনের যাত্রী হয়রানি বন্ধে ইমা পরিবহনের বিরুদ্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারি প্রশাসনের ও দক্ষিণবঙ্গের শ্রমিক নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ভুক্তভোগী যাত্রীগণ।
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
01884-553490
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.